
জানা যায়, ট্রামের চালক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তার নিজের আসনেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এরপর কোনো স্টেশনেই না থেমে ট্রামটি দ্রুত গতিতে ছুটে যাচ্ছিল। ট্রামের যাত্রীরা তখন আতংকিত হয়ে পড়েন। তারা ইমার্জেন্সি নম্বরে ফোন করতে থাকেন। এরপর দুজন যাত্রী দরজা ভেঙে ট্রামের চালকের কেবিনে ঢোকেন। সেখানে তারা দেখেন, চালক পড়ে আছেন, তার কোনো সাড়া মিলছে না। এক নারী যাত্রী ট্রাম কম্পানিতে ফোন করেন কিভাবে ট্রামটি থামানো যায় তার উপায় জানার জন্য। এরপর যাত্রীরা ট্রামটিকে শেষ পর্যন্ত থামাতে সক্ষম হন। আর অসুস্থ ট্রাম চালক এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর যে সাহসী যাত্রীরা ট্রামটি থামিয়েছিলেন, তারা কিছু ছোটখাট আঘাত পেয়েছেন।
বনের মেয়র অশোক শ্রীধরন স্থানীয় একটি সংবাদপত্রকে জানান, এরকম বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে যাত্রীদের যা করা উচিৎ ছিল, তারা তাই করেছেন। তারা সম্ভবত জীবন বাঁচিয়েছেন। তবে ট্রাম কম্পানি তাদের কোনো গাফিলতির কথা অস্বীকার করেছে। তারা বলছেন, ট্রামে যে ‘ইমার্জেন্সি ব্রেক লিভার’ আছে, সেটির কাজ ট্রাম থামানো নয়, চালককে সতর্ক করে দেয়া, যাতে তিনি যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এবং ট্রামটিকে থামাতে পারেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



