
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দুই ব্যক্তির আইনজীবী ইডিকে জানিয়েছিলেন তাদের মক্কেলরা আসতে পারবেন না ইডির দপ্তরে। ইডি এখনও পর্যন্ত সাদ-ঘনিষ্ঠ ৯০-এর বেশি সহযোগীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
সম্প্রতি মাওলানা সাদকে নোটিশ দেয় দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি সরকারি হাসপাতালে গিয়ে করোনার পরীক্ষা করিয়েছেন কিনা। আর যদি করিয়ে থাকেন, তাহলে এখনও কেন সেই রিপোর্ট জমা দেননি অপরাধ দমন শাখায়। ওই রিপোর্ট হাতে পেলে তা খতিয়ে দেখে তবেই সাদের বিষয়ে পরবর্তী তদন্তের কাজ শুরু করা হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



