
দলটির ‘বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের’ বিরুদ্ধে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে বললেন পম্পেও। তিনি জানান, হংকংয়ের সায়ত্ত্বশাসনকে হুমকির মুখে ফেলা প্রস্তাবিত নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করায় চীনকে শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিনিদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ‘ভুল’ হয়েছে বলেছে চীন। তাদের এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা উচিত।
চীনা পার্লামেন্টে অধিবেশন বসার কয়েকদিন আগে এই ঘটনা ঘটলো। রোববার থেকে শুরু হওয়া পার্লামেন্ট অধিবেশনে ন্যাশনাল পিপল’স কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটি নতুন আইন নিয়ে আলোচনা করবে।
ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা অ্যাম্বাসি বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই ভুল সিদ্ধান্তের জোরালো প্রতিবাদ করছে তারা।’ টুইটারে তারা এক বিবৃতি দিয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে দ্রুত এই ভুল সংশোধনের আহ্বান করছি আমরা। তারা যেন এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে এবং চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা বন্ধ করে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



