
ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় শিক্ষকের ওপর হামলা ও হল ভাঙচুরের ঘটনায় তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মো. মমিনুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বহিষ্কৃত ও দণ্ডপ্রাপ্তদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- ২০১৫-১৬ বর্ষের রবিউল হক চৌধুরী (কৃষি), মো. জহিরুল ইসলাম (বিবিএ), মো আব্দুর রহিম সিয়াম (কৃষি), জাহিদ হাসান শুভ (ইএসডিএম),মো আল ইমরান (আইসিই), ২০১৬-১৭ বর্ষের কাজী আশরাফুল হক লিসান (ইএসডিএম), ইয়াসিন আরাফাত তারেক (ইএসডিএম), মো সাইফুল্লাহ সনি (সিএসটিই), মো তৌহিদুল ইসলাম (কৃষি), আব্দুল্লাহ আল মাসুদ (ফলিত গণিত), ওমর ফারুক (কৃষি), আব্দুল্লাহ আল নোমান (অর্থনীতি), ২০১৩-১৪ বর্ষের মু.শফিউর রহমান অন্তর (বিজিই), ২০১৭-১৮ বর্ষের মো মিরাজ মাহতাব (ইংরেজি), ২০১৪-১৫ বর্ষের কে এস এম সায়েম (মাইক্রোবায়োলজী) এবং ২০১৮-১৯ বর্ষের অর্ণব সরকার (সমাজকর্ম)।
এছাড়া নেতৃত্বদানকারী, সংগঠক ও হুকুম দাতা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আরও সাত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীকে ২০ হাজার এবং ১২ জনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করে।
অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন-২০১৪-১৫ বর্ষের মো. মুহাইমিনুল ইসলাম নুহাশ (ফার্মেসি), মাহবুবুর রহমান চৌধুরী (ব্যবসায় প্রশাসন), ২০১৫-১৬ বর্ষের জাহিদ হাসান শুভ (ইএসডিএম), শাফকাত আবির (ইংরেজি), ২০১৪-১৫ বর্ষের আতাউল করিম রনি (কৃষি) ও ২০১৭-১৮ বর্ষের আব্দুল্লাহ আল নোমান (অর্থনীতি) এবং নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান বিপ্লব।
হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্যরা ওই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত নেন।
গত ৩১ আগস্ট প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে এবং ১ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ আব্দুস সালাম হলে দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় হলের অনেক কক্ষ ভাঙচুর করা হয়।
হামলায় আব্দুল মালেক উকিল হলের প্রভোস্ট ড. ফিরোজ আহমেদসহ ১৫ জন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলটি বন্ধ ঘোষণা করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



