
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আর্টিকেল নাইনটিনের বক্তব্যে বলা হয়, “বাংলাদেশে সাংবাদিকদের প্রতি সহিংসতার ঘটনাগুলো প্রায়ই বিচারহীনতায় শেষ হয়। ২০২০ সালের মার্চ মাসে একজন সংসদ সদস্য কর্তৃক মানহানির মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর ফটো সাংবাদিক ও সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজল সন্দেহজনকভাবে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার ৫৩ দিন পর একটি মাঠের মধ্য থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় ‘উদ্ধার’ করে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়। তখন থেকে মানহানিসংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে কাজল কারাবন্দি হয়ে আছেন। নিখোঁজ হওয়ার সময় তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে ছিলেন—এমন দাবির পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আমরা কাজলকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে এবং তাঁর প্রতি অমানবিক আচরণের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির ব্যবস্থা করার জন্য বাংলাদেশের সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।”
এ প্রসঙ্গে আর্টিকেল নাইনটিন বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ফারুখ ফয়সল বলেন, ‘সাংবাদিক কাজল কারাগারে আছেন প্রায় চার মাস হতে যাচ্ছে। তাঁর জামিন আবেদন এ পর্যন্ত ১৩ বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। যে প্রক্রিয়ায় কাজলকে আটকে রাখা হয়েছে, তাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মত প্রকাশের স্বাধীনতা পরিস্থিতি ও মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়ে গেছে। তাই বিশ্বদরবারে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য সরকারের উচিত হবে অবিলম্বে কাজলের মুক্তির ব্যবস্থা করা।’
মানবাধিকার পরিষদে আর্টিকেল নাইনটিনের বক্তব্যে আরো বলা হয়, কাগজসর্বস্ব প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট নয়। প্রতিশ্রুতির প্রতিপালন অপরিহার্য। তাই মত প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই সব সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



