Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি)। তারা চাঁদের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত বলে দাবি করছে।

জিও টিভির সোমবারের (১ এপ্রিল) প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯ এপ্রিল পাকিস্তানের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবে। সে হিসেবে ১০ এপ্রিল ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে।

আবহাওয়া অফিসের বরাতে আরও জানানো হয়, ৮ এপ্রিল রাত ১১টা ২১ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। পরের দিন সন্ধ্যায় চাঁদের বয়স হবে ১৯ থেকে ২০ ঘণ্টা।

পূর্বাভাস অনুযায়ী ৯ এপ্রিল পাকিস্তানের অধিকাংশ অঞ্চলের আকাশ পরিষ্কার থাকবে। তাই সূর্যাস্তের পর ৫০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে চাঁদ দেখা যাবে। তবে দেশটির উত্তরাঞ্চলে আকাশ মেঘলা থাকতে পারে।

পাকিস্তানে ১১ মার্চ রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়। এর পরের দিন থেকে দেশটির ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা পালন শুরু করেছেন।

যদি পূর্বাভাস সত্য হয়- তবে দেশটিতে ২৯ দিনে রমজান মাস শেষ হতে যাচ্ছে।

আরবি মাস ২৯ বা ৩০ দিনে পূর্ণ হয়। তা কখনই ৩১ দিনে হয় না। প্রত্যেক মাসের শুরু ও শেষ নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে।

পাকিস্তানে ১০ এপ্রিল ঈদ হলে বাংলাদেশেও একই দিন ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, সাধারণত এশিয়ার দেশগুলোতে একই দিনে চাঁদ দৃষ্টিগোচর হয়। তাই ঈদ উদযাপনও এক সঙ্গে করা হয়।

এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবার রমজান ৩০ দিন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এ জন্য ১১ এপ্রিলকে ঈদুল ফিতরের দিন ঠিক করে ছুটির তালিকা করেছে সরকার।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশে সরকারি ছুটি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) আছে আগামী ১০ থেকে ১২ এপ্রিল। সেখানে এই ছুটি আরও এক দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। তবে তা নাকচ করে দেওয়া হয়।

জাহাজের পর এবার সেতুতে বার্জের ধাক্কা, যান চলাচল বন্ধ

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Bhuiyan Md Tomal is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He works to ensure accuracy, clarity, and consistency in published content for digital audiences. His approach reflects a commitment to responsible journalism and quality reporting.