
হামলায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহতদের সবারই বয়স ২১ থেকে ৪৪ বছরের মধ্যে। তাদের প্রায় সবারই অভিবাসী বংশোদ্ভূত বলে জানিয়েছেন হানাউয়ের চিফ ফেডারেল প্রসিকিউটর পিটার ফ্রাংক।
জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল এ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এ হামলার পেছনে উগ্র জাতীয়তাবাদ ও বর্ণবাদের বিষবাষ্পকে দায়ী করেছেন তিনি।
ঘটনার পরবর্তী সময়ে নানা স্থানে তল্লাশি চালানোর পর গতকাল সকালে সন্দেহভাজন টোবিয়াস আরকে (৪৩) তার নিজ বাড়িতে মৃত অবস্থায় খুঁজে পায় পুলিশ। এছাড়া হামলাকারীর ৭২ বছর বয়সী মায়ের মরদেহও ওই বাড়িতে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।
চিফ ফেডারেল প্রসিকিউটর পিটার ফ্রাংক জানান, সন্দেহভাজনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে ২৪ পৃষ্ঠার একটি ইশতেহার খুঁজে পাওয়া গেছে, যাতে ওই ব্যক্তির গভীর বর্ণবাদী মনোভাবের প্রকাশ পায়।
অন্যদিকে চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল এ বিষয়ে বলেন, বর্ণবাদ এক ধরনের বিষ। ঘৃণা এক ধরনের বিষ। আমাদের সমাজে এ বিষের উপস্থিতি টের পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষ এরই মধ্যে অনেক অপরাধের জন্ম দিয়েছে।
নিহতদের মধ্যে কয়েকজন কুর্দি বংশোদ্ভূত বলে জার্মানিতে অবস্থানরত কুর্দিদের একটি সংগঠন বিবৃতির মাধ্যমে জানিয়েছে। এছাড়া নিহতদের মধ্যে একজন বসনীয় ও একজন বুলগেরীয় নাগরিক রয়েছে বলে দেশ দুটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



