
গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যে যা ভোট পেয়েছিল, এ বার তা চার শতাংশ কমে হয়েছে ৩৬ শতাংশের মতো। ফলে মেরুকরণের চেষ্টা, প্রায় সব রাজ্য থেকে নেতাদের উড়িয়ে এনে ভোটের দায়িত্ব দেয়া, প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে ৩০টি জনসভা করানো কোনো কিছুই কাজে আসেনি। বাংলার মেয়ের উপরেই ভরসা রেখেছে পশ্চিমবঙ্গ। খবর ডয়চে ভেলের।
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ২০৭টি কেন্দ্রে এগিয়ে, বিজেপি ৮১টি কেন্দ্রে এবং বাম জোট মাত্র দুইটি কেন্দ্রে এগিয়ে।এখনো কয়েকটি রাউন্ডের গণনা বাকি। তবে প্রায় অর্ধেকের বেশি রাউন্ডের গণনা হয়ে গেছে।নাটকীয় কোনো বদল না হলে তৃণমূল কংগ্রেস আবার সরকার গঠন করতে চলেছে।
১২ রাউন্ডের গণনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চার হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে।
নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহের কাছে বড় ধাক্কার কারণ, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে একশ আসনও ছুঁতে পারছে না। ফলে প্রশান্ত কিশোর বা পিকে যে দাবি করেছিলেন, তা মিলে যাওয়ার মুখে। দক্ষিণবঙ্গে প্রায় একচেটিয়াভাবে জিতছে তৃণমূল। উত্তরবঙ্গও তাদের হতাশ করেছে। যে সব আসন তারা জিতবে ভেবেছিল, তা তারা পায়নি।
তৃণমূল প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বিজেপি পেয়েছে ৩৬ শতাংশ। কংগ্রেস আড়াই ও সিপিএম সাড়ে চার শতাংশ ভোট পেয়েছে।
তৃমমূল কংগ্রেস নেতাকর্মীরা এখন থেকেই জয় পালন করতে রাস্তায় নেমে পড়েছেন। কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় শুরু হয়েছে সবুজ আবির খেলা। করোনার কড়াকড়ি না মেনে তারা দলের এই অসাধারণ জয় পালন করতে শুরু করেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



