
তাদের ডেলিগেশন সম্পর্কে ধারণা পেতে প্রস্তাবটি শেয়ার করা হয়েছে। করাচিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাই কমিশনার নুর-ই হেলাল সাইফুর রহমান গত সপ্তাহে করাচির এক সেমিনারে বলেছেন- ঢাকায় ডি এইট শীর্ষ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত। ইমরান খান সেই সম্মেলনে অংশ নেবেন এবং এই সফরের মধ্যদিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। ওই সেমিনারের বরাতে পাকিস্তানের এক্সপ্রেস ট্রিবিউন একটি রিপোর্ট করেছে। রিপোর্টে প্রকাশ- বাংলাদেশে পাকিস্তানের বড় বিনিয়োগ আসছে। বাংলাদেশে যে ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে সেখানে পাকিস্তানের ওই বিনিয়োগ আসবে। বিনিয়োগটি এতটাই আকর্ষণীয় যে পাকিস্তানের গণমাধ্যম এটাকে ‘ঐতিহাসিক বিনিয়োগ’ বলে উল্লেখ করেছে। সেমিনারের আয়োজক ছিল করাচিস্থ বাংলাদেশ উপ-হাই কমিশন। উপ-হাই কমিশনার সাইফুর রহমানকে উদ্বৃত করে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়- বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ ও সম্ভাবনা বিষয়ে পাকিস্তানী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে বন্দর নগরীততে সেমিনাটির আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ মিশন।
সেমিনারে ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার তারিক আহসানও বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহীদ আর ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন না হওয়ায় হাই কমিশনার হতাশা ব্যক্ত করেছেন জানিয়ে ট্রিবিউন তার রিপোর্টে বলেছে, হাই কমিশনারও আশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আসন্ন ঢাকা সফর দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন তথা সার্বিকভাবে ঘনিষ্ঠতায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। রাতে ঢাকা থেকে হাই কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণ বিষয়ে ইমরান খানের দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগে কথা স্বীকার করেন। বলেন, ইসলামাবাদকে শীর্ষ সম্মেলনে সম্ভাব্য তারিখটি শেয়ার করা হয়েছে এবং ওই সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অন্য ব্যস্ততা আছে কি-না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সূত্র: মানবজমিন
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



