আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে তিউনিসিয়ার জনগণ। আরব বসন্তের সূতিকাগার তিউনিসিয়ায় দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক জয়নাল আবদীন বেন আলীর বিদায়ের পর দ্বিতীয়বারের মতো দেশটিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হচ্ছে।

Advertisement
২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন বেজি সাইদ এসেবসি নির্বাচিত হয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ বছরের শাসনামলে তিনি দেশটিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপর জোর দেন। তার পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্তির পর চলতি বছর নভেম্বরে সে দেশে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে গত জলাই মাসে এসেবসির মৃত্যুতে তিন মাস আগেই দেশটিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

নির্বাচনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২৬ জন, যার মধ্যে দুজন নারীরও রয়েছেন। বিশ্বের অন্যতম নবীন গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে এই নির্বাচন তিউনিসিয়ার জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই নির্বাচনে জিততে হলে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেতে হবে। তবে কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট না পেলে দ্বিতীয় রাউন্ডে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত দুই প্রার্থীর মধ্যে ফের ভোটগ্রহণ হবে।

সংবিধান অনুযায়ী তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্রনীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টি দেখেন। পার্লামেন্ট একজন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করেন। তিনি অন্য মন্ত্রণালয়গুলোর জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। দেশটিতে পার্লামেন্ট নির্বাচন হবে আগামী অক্টোবরে।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আরব বসন্তে স্বৈরশাসনের সিংহাসন কেঁপে উঠলেও শেষ পর্যন্ত তিউনিসিয়াতেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে টিভি বিতর্কও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলা ও বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক সমস্যা বিরাজ করছে। গত বছর এসব সমস্যা নিরসনে জনগণ ফের মাঠে নেমেছিলেন।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google