
তিন মাস জেলে কাটানোর পর নিরপরাধ প্রমাণিত হলেন হটন। তার আনা তিন বোতল মধু ল্যাবরেটারিতে দুবার পরীক্ষা করিয়েও মাদকের অস্তিত্ত্ব পায় নি পুলিশ। কারাগারে থাকায় পরিচ্ছনতা কর্মী ও নির্মাণ শ্রমিকের কাজ দুটোই হারালেন হটন। ছয় সন্তানের পরিবারও প্রায় পথে বসার জোগাড়।
ক্ষুব্ধ হটন ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেছেন,‘ওরা আমার জীবন তছনছ করে দিয়েছে। আমি সারা বিশ্বকে জানাতে চাই যে এই ব্যবস্থাপনায় কতটা গলদ আছে। আমার চারপাশের মানুষরা ক্ষমতাবান না হলে ওরা আমাকে কারাগারেই রেখে দিতো।’
জেল থেকে বেরিয়ে আসার কয়েক মাস পর এখন নতুন করে বাঁচার লড়াই শুরু করেছেন হটন। পেছনের দুঃসহ স্মৃতিকে তিনি মন থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



