
বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হিজাব খুলে ফেলতে অস্বীকৃতি জানানো ও সেনাবাহিনীর বৈধ নির্দেশ অমান্য করায় মেজর ফাতিমা ইসাকসকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকায় মুসলিম নারী সেনাদের হিজাব পরার ধর্মীয় অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি লড়াইয়ে নামেন তিনি।
গত বছর মেজর ইসাকসের ওপর থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয় সেনাবাহিনী। সেই সঙ্গে মাথায় আঁটসাঁট, একরঙা ও দুই কান না ঢেকে তাকে স্কার্ফ পরতে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয় সেনা কর্তৃপক্ষ। যদিও তখন সেনাবাহিনীর পোশাক নীতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবর্তন আনা হয়নি। চাকরি ফিরে পেয়ে ইসাকস এখন দক্ষিণ আফ্রিকার একটি সামরিক হাসপাতালে ফরেনসিক রোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত আছেন।
নিজের ওপর থেকে অভিযোগ প্রত্যাহার করা ও অবশেষে সেনাবাহিনীর পোশাক নীতিতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে এই নারী সেনা কর্মকর্তা বলেন, এটি শুধু তার একার বিজয় নয়। বরং ধর্মীয় বিধান পালন করার কারণে যারাই নীরবে বঞ্চনার শিকার হচ্ছিলেন, এটি তাদের সবার বিজয়। এসময়, হিজাব ইস্যুতে তার মামলা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান লিগ্যাল রিসোর্স সেন্টারকেও (এলআরসি) ধন্যবাদ জানিয়েছেন মেজর ইসাকস।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


