
গত ৭ জানুয়ারি দুপুর ১২.১২ মিনিট। কলাবাগানে দিহানের বাসার সিড়িঘরের দিকে যাচ্ছেন ওই স্কুলছাত্রী। দুপুর একটার দিকে বাসার সামনে রহস্যজনক গতিবিধির দেখা মেলে তিন ব্যক্তির। তবে তাদের পরিচয় বোঝার উপায় নেই। প্রায় দেড় ঘন্টা পর দুপুর ১টা ৩৬ মিনিটে বাসা থেকে বের হয় দিহানের গাড়ি।
সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষনে এমন তথ্য মিললেও, এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। তাই জিজ্ঞাবাসাদের জন্য ওই দিন দায়িত্বে থাকা প্রহরী পলাতক দুলালকে আটক করেছে পুলিশ। গণমাধ্যমে খোলা চিঠি লিখলেও অনেক চেষ্টা করেও ক্যামেরার সামনে আসতে রাজি হননি দিহানের মা।
মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বিকৃত যৌনাচার ও হত্যার এমন ঘটনা পুরো জাতির জন্য একটি সতর্ক সংকেত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান খন্দকার ফারজানা রহমান জোর দিচ্ছেন পারিবারিক ও স্বশিক্ষার উপর। একইসাথে আইনের কঠোর প্রয়োগও চান তিনি।
তবে, তরুণ প্রজন্মের ওপর আস্থা হারাতে চান না, অপরাধ বিজ্ঞানের এই শিক্ষক। তার আশা, বিকৃত রুচির বিলুপ্তি ঘটিয়ে সহিংসতাহীন স্বশিক্ষিত প্রজন্মে নিরাপদে বেড়ে উঠবে প্রতিটি প্রাণ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



