
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের শিকারপুর গ্রামের একটি পুকুর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশু সাফওয়ান ওই গ্রামের জাম্মিম হোসেন সবুজ মালিথার ছেলে। সে শিকারপুর গ্রামের ফাতেমা-মিজান হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার ছাত্র ছিল। আটক সোহান একই গ্রামের মৃত ইসলাম উদ্দীনের ছেলে ও একই মাদরাসারছাত্র।
শিশুটির মা সুমাইয়া খাতুন জানান, দুপুরের পর থেকে সাফওয়ানকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যার দিকে পুকুর থেকে সাফওয়ানের মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। সুমাইয়া খাতুন অভিযোগ করেন, সোহানই তার ছেলেকে হত্যা করেছে।
এদিকে সাফওয়ানের বাবা জাম্মিম হোসেন সবুজ জানান, দীর্ঘদিন ধরে সোহান তার ছেলেকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাতো। বিছানায় শুয়ে শুয়ে সাফওয়ান তাকে এ কথা বলত আর ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে যেত।
ঝিনাইদহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রামবাসীর হাতে আটক সোহানকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শিশু সাফওয়ানকে হত্যার মোটিভ উদ্ধারে একাধিক টিম কাজ করছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



