
তারা হলেন রায়ান-ক্লারা, জেকব-হ্যালি, ক্রিস-পেগ, এরিক-ভার্জিনিয়া এবং ভিনসেন্ট-ব্রায়ানা। তারা প্রত্যেকেই আটলান্টার বাসিন্দা এবং তাদের দেখা হয়েছিল একটি রিয়েলিটি শো এ। যার নামই হল ‘ম্যারেড অ্যাট ফার্স্ট সাইট’ অর্থাৎ প্রথম দেখাতেই বিয়ে। তারা প্রত্যেকেই ছিলেন এই রিয়েলিটি শো এর প্রতিযোগী। শো এ অংশ নিয়েছিলেন নিজেদের জীবনসঙ্গীকে বেছে নেওয়ার জন্যই।
২৭ বছরের তরুণী ক্লারা একজন বিমানসেবিকা। জীবনে প্রচুর প্রেম এসেছে তার। কিন্তু কেউই তাকে সিরিয়াসলি নেননি। সে কারণেই এই শো এ আসার সিদ্ধান্ত তার। একটি সফটওয়্যার কোম্পানির প্রজেক্ট ম্যানেজার রায়ান। মা-বাবার ৩০ বছরের সুখী দাম্পত্য। ঠিক এই রকমই জীবনসঙ্গী চেয়েছিলেন তিনিও, যার সঙ্গে হেসে খেলে সব ক’টা বছর কাটিয়ে ফেলা যায়। তার চোখে ক্লারাই সেই মেয়ে।
জেকব এবং হ্যালির মধ্যে ১০ বছরের ফারাক। কিন্তু মনের মিল থাকলে বয়সের ফারাক কোনও সমস্যা তৈরি করে না। হ্যালির প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। কোনও ছেলেকেই তাই সহজে বিশ্বাস করতে পারেন না হ্যালি। কিন্তু জেকব তার সেই ভরসার জায়গা হয়ে ওঠেন খুব অল্প সময়েই। একে অপরের পারফেক্ট ম্যাচ তারা।
২৭ বছরের ক্রিসের এই শো এ আসার কয়েক মাস আগে এনগেজমেন্ট হয়েছিল। কিন্তু মাত্র কয়েক দিনেই সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। তার এমন একজন স্ত্রী চাই, যার নজর সম্পত্তিতে থাকবে না। পেগের মধ্যেই এই গুণ খুঁজে পেয়েছেন তিনি।
এরিক একজন পাইলট। আর পেশাগত কারণে প্রেমিকাদের ঠিকমতো সময় দিতে না পারার জন্য বহু সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছে তার। এই শো এ ভার্জিনিয়ার মধ্যেই তিনি নিজের জীবনের উড়ান-সঙ্গী খুঁজে পেয়েছেন।
২৮ বছরের ভিনসেন্টের সম্পর্ক আবার ভেঙে গিয়েছিল তিনি নিজের একটি ব্যবসা শুরু করতে চেয়েছিলেন বলে। সমবয়সি ইঞ্জিনিয়ার ব্রায়ানার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে তার সিদ্ধান্তে। ভিনসেন্ট মনে করেন, ব্রায়ানার সমর্থনে তিনি ব্যবসায় সফল হতে পারবেন।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



