
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সার্থকতা সেখানেই, বঙ্গবন্ধু যে উন্নত রাষ্ট্র গড়তে চেয়েছিলেন, স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় তাঁকে হত্যা করার কারণে তিনি সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে যেতে না পারলেও আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণের পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে।
আজকে অর্থনৈতিক, মানব উন্নয়ন, সামাজিক-সব সূচকে আমরা পাকিস্তানকে অতিক্রম করেছি, অনেক সূচকে আমরা ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছি- এখানেই বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধুকন্যার সার্থকতা। বলেন ড. হাছান।
কিন্তু বিজয়ের ৪৯ বছর পরও আজ স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি মাঝেমধ্যে আস্ফালন করে এবং এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, ‘খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপি’। উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যারা পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করে লড়াই করেছিল, দলগতভাবে সেই জামায়াতে ইসলামীকে বিএনপি তাদের জোটসঙ্গী করেছে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না, তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি রাজনীতি করে আর দিবানিশি স্বপ্ন দেখে এ দেশকে কিভাবে আবার পাকিস্তান-তালেবানি রাষ্ট্র বানানো যায়। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ষড়যন্ত্র রুখতে বিজয়ের এই দিনে আমাদের প্রত্যয়, বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে নির্মূল করার ঘোষণা করেন তথ্যমন্ত্রী।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



