
অথচ দলীয় পঞ্চম ওভারের মাথায় মুস্তাফিজের বলে লং লেগে ক্যাচ তোলেন রোহিত শর্মা। কিন্তু সেই ক্যাচটি তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন তামিম ইকবাল। এরপর খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন এই ভারতীয় ওপেনার। ৪৭ বলে অর্ধশতক করা রোহিত ৯০ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন। এটা চলতি বিশ্বকাপে তার তৃতীয় সেঞ্চুরি।
বিধ্বংসী এই ব্যাটসম্যানের ক্যাচ ফেলা মানে ম্যাচই ফেলে দেয়া সেটা আবারও প্রমাণ করলেন রোহিত শর্মা। জীবন পেলে তিনি যে কতটা ভয়ংকর হয়ে ওঠেন পরিসংখ্যানে তার কিছু প্রমাণ তুলে ধরা হলো।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্যক্তিগত ১ রানে জীবন পান রোহিত শর্মা। কাগিসো রাবাদার বলে ক্যাচ ছাড়েন ডেভিড মিলার। এর পরিণতি হয়েছিল ভয়ংকর। ১৪৪ বলে ১২২ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে দলকে জেতান রোহিত।
গত ৯ জুন অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত। ব্যক্তিগত ২ রানে রোহিত শর্মার ক্যাচ ছেড়ে দেন কুল্টার নাইল। বোলার ছিলেন এক্ষেত্রে মিচেল স্টার্ক। এজন্য মূল্যও দিতে হয়েছে। ৭০ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলে ১২৭ রানের ওপেনিং জুটি উপহার দেন রোহিত। ভারত ম্যাচ জিতেছে ৩৬ রানে।
সর্বশেষ গত ৩০ জুন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যক্তিগত ৪ রানে জীবন পান রোহিত। জোফরা আর্চারের বলে সহজ ক্যাচ ফেলে দেন জো রুট। সেই ম্যাচে ১০৯ বলে ১০২ রানের ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন এই হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান। যদিও বাবিদের অদ্ভুতুরে ব্যাটিংয়ের কারণে ম্যাচটি ৩১ রানে হেরে যায় ভারত।
আজ বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যক্তিগত ৯ রানে তামিম ইকবালের কল্যাণে জীবন পেয়েছেন ৯২ বলে ১০৪ রানের দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেন রোহিত। এসময় তিনি ৭টি বাউন্ডারির পাশাপাশি ৫টি ওভার বাউন্ডারি হাকান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



