
যাদের দাড়ি কাটতে বলা হয়েছিল, তারা হলেন- আব্বাস খান (কন্সটেবল), আরশাদ খান (কন্সটেবল), সামারদীন (কন্সটেবল), জাকাম খান (কন্সটেবল), মুস্তাক (কন্সটেবল), ইসরায়েল আহমাদ (এএসআই), দীন মোহাম্মদ (কন্সটেবল), শহিদ নিসার (কন্সটেবল) ও ছোটে খান (হেড কন্সটেবল)। এই আদেশের ফলে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় অবশ্য শুক্রবারই (২২ নভেম্বর) এই আদেশ বাতিল করে দাঁড়ি রাখার অনুমতি পুনর্বহাল করা হয়।
দেশমুখ সাংবাদিকদের বলেন, ওই আদেশের মূল উদ্দেশ্য ছিল পুলিশের দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় তারা যেন ‘নিরপেক্ষভাবে’ কাজ করতে পারেন। পুলিশের দায়িত্ব এমন যেখানে তাকে কেবল নিরপেক্ষভাবেই কাজ করতে হয় না, তার ‘লুক’ও নিরপেক্ষ হতে হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


