
ভারতের নতুন আইন নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে মার্কিন বিদেশ দফতরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যালিস ওয়েলস বলেছেন, ‘সিএএ-র মতো সামাজিক ইস্যুগুলো যে শুধুই মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে ভারতের আন্তরিকতাকে ক্ষুণ্ণ করবে, তা নয়; ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার দেশগুলিতে আমরা (আমেরিকা) যে মুক্ত ও অবাধ স্বাধীনতার বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছি, সেই প্রচেষ্টায় শামিল হওয়ার পথ থেকেও ভারতকে দূরে সরিয়ে দেবে।’
রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ভারত শুধুই বিদেশী আগ্রাসনকারীদের হাতে লুণ্ঠিত হয়েছে, এভাবেই সে দেশের ইতিহাসটাকে ব্যাখ্যা করতে চাইছেন হিন্দু জাতীয়তাবাদীরা। শুধু এভাবেই বিষয়টিকে তারা দেখছেন, দেখাতে চাইছেন। তার ফলে, তারা আধুনিক ভারতের দুই প্রতিষ্ঠাতা জওহরলাল নেহরু ও মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর দর্মনিরপেক্ষতার ভাবাদর্শকেও বাতিল করে দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বহু বিশেষজ্ঞের ধারণা, দেশের উত্তরোত্তর ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি থেকে মানুষের নজর অন্য দিকে ঘুরিয়ে রাজনৈতিক সমর্থন ধরে রাখতে বিজেপি সরকার এখন আবেগের উপরেই গুরুত্ব দিচ্ছে। হাতিয়ার করছে ধর্মকে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



