
ফ্রেডরিক কেভিন কো ‘সাউথ হিল রেপিস্ট’ নামে কুখ্যাত ছিলেন। এই অপরাধী জাতিতে আমেরিকান। তার অপরাধের সময়সীমা ছিল মাত্র ৪ বছর। এই স্বল্প সময়ে ৩৭ জন নারীকে ধর্ষণ করেছেন তিনি। এবং সবসময় কাজটি করতেন ভোরবেলা। এই সময়ে পার্কে হাঁটতে আসা নারীদের তিনি টেনে হিঁচড়ে ঝোপের আড়ালে নিয়ে যেতেন। ১৯৮১ সালে তাকে আটক করা হয়। যাবজ্জীবন সাজা হয় তার। বর্তমানে তিনি জেলবাস করছেন।
জন্মগতভাবে ইন্দোনেশিয়ার হলেও রেইনহার্ড সিনাগা বর্তমানে বৃটিশ নাগরিক। তাকে বলা হয় বৃটেনের সবচেয়ে বড় সিরিয়াল রেপিস্ট। যদিও তিনি সমকামী। ফলে তার সব শিকার ছিল পুরুষ। ২০১৭ সালে তাকে আটক করা হয়। স্বীকারোক্তিতে ৪৮ জন পুরুষের শ্লীলতাহানীর কথা স্বীকার করেন তিনি। রেইনহার্ড লালসা চরিতার্থ করার জন্য শেষ রাতের দিকে বিভিন্ন নৈশ ক্লাবের কাছে অপেক্ষা করতেন। সেখান থেকে অধিক মদ খেয়ে মাতাল হওয়া কেউ বের হলে তাকে আশ্রয় বা আরও মদপানের আশ্বাস দিয়ে তাকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যেতেন। নিজের ফ্ল্যাটেই তিনি এই অপরাধ করতেন এবং পুরো সময়টা রেকর্ড করে রাখতেন। পরবর্তীকালে ভুক্তভোগী পুরুষটিকে নানাভাবে হয়রানী করার জন্যই মূলত একাজ করতেন তিনি। রেইনহার্ড সিনাগাকে বৃটিশ আদালত ৩০ বছরের জেল দিয়েছে।
ডেনিয়েল হল্টজক্লার বাস আমেরিকার ওকলাহামা শহরে। ২০১৫ সালে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের কাছে তিনি ১৩ জন নারীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। তার আক্রমণের স্বীকার সব নারীই ছিলেন আফ্রো-আমেরিকান। পুলিশী তদন্ত রিপোর্টে এসব নারীদের ‘ওকিসি-১৩’ নামে অবহিত করা হয়। রায়ে ডেনিয়েলের ২১৩ বছরের জেল হয়। রায়ের পর ডেনিয়েলের আইনজীবী উচ্চ আদালতে আপিল করেন। বর্তমানে মামলাটি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন।
রিচার্ড ট্রই গিলমোর ‘দ্য জগার রেপিস্ট’ নামে কুখ্যাত। আমেরিকার ওরিগন অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা গিলমোরের দ্বারা বহুসংখ্যক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। যদিও প্রমাণ মিলেছিল মাত্র তেরোজনের। গিলমোর অপরাধ করার জন্য সকালবেলা জগিংয়ে বের হওয়া নারীদের বেছে নিতেন। এ কারণে তাকে জগার রেপিস্ট বল হয়। ১৯৭৯ সালে তাকে আটক করা হয়। আদালতের রায়ে ত্রিশ বছরের সাজা হয়। বর্তমানে তিনি জেলে আটক রয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



