
২২ জানুয়ারি সকাল সাতটায় ফাঁসির দড়িতে ঝোলানো হবে চার দোষীদের। প্রত্যেকের জন্য দুটি করে ফাঁসির দড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে দোষীদের দ্বিগুণ ওজনের ডামি দিয়ে ফাঁসির মহড়া সেরে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। ফাঁসির দড়ি মোলায়েম করে রাখতে সেগুলি মাখনে ডোবানো হয়েছে। তার পর সেই দড়ি স্টিলের বাক্সে ভরে রাখা হয়েছে। ফাঁসির জন্য ব্যবহার করা হয় নতুন দড়ি। এটাই নিয়ম। ফাঁসির সময় একজন ডাক্তার, মনোবিদ ও জেলের কয়েকজন আধিকারিক সেখানে থাকবেন। আধ ঘণ্টা ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে রাখা হবে চার দোষীকে। এর পর চিকিত্সক তাঁদের মৃত্যু নিশ্চিত করলে দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে। পরিবারের লোকজন তাঁদের মৃতদেহ সত্কারের আবেদন করতে পারবে। না হলে চার দোষীকে সত্কারের ব্যবস্থা করা হবে জেলের পক্ষ থেকে। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



