
এই প্রবাসীর অসহায় অবস্থা নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন প্রবাসী খাতের সিনিয়র সাংবাদিক ও রিপোর্টাস ফর বাংলাদেশি মাইগ্রেন্টস (আরবিএম) এর সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজ হোসেন গাজী। সেই পোস্টে, প্রবাসী রহিমের ঠিকানা ও ফোন নম্বর দেয়া হয়। পোস্ট দেখে অনেকেই আশ্বাস দেন সহায়তা করার। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।
এই প্রবাসীর খাদ্য সংকটের বিষয়টি প্রবাস বার্তা’র পক্ষ থেকে হাইকমিশনের শ্রমকাউন্সেলর (২) হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডলের কাছে জানানো হয়। তাঁর ( হেদায়েতুল মন্ডল ) কাছে ঐ প্রবাসীর ফোন নম্বরসহ বিস্তারিত ঠিকানা ও ছবি দেয়া হয়। তিনি আশ্বাস দেন দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে। যদিও কেউই আর খোঁজ নেননি প্রবাসী রহিমের।
শুক্রবার সকালে শ্রম কাউন্সেলর (২) হেদায়েতুল জানান, “আমি একজনকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তিনি ঐ প্রবাসীর ( রহিম) সাথে কথা বলেছেন। এখন আর সহায়তা লাগবে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কর্মী। এরপরও বিষয়টি দেখছি।”
বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টার সময় প্রবাসী রহিম জানান, তার সাথে এতোদিনেও কেউ যোগাযোগ করেননি। এক মালয়েশিয়া নাগরিকের কাছে থেকে কিছু রিংগিত ধার নিয়ে কোনমতে চলছেন এই কয়দিন।
এ বিষয়ে সাংবাদিক মিরাজ হোসেন গাজী বলেন, “আমরা জানানোর পরও এতো দিনও একজন প্রবাসীর কাছে যদি সহায়তা না পৌঁছায়, তাহলে বাস্তবতা কী, তা সহজেই অনুমান করা যায়। আর এই সহায়তার টাকা মন্ত্রণালয় থেকে দেয়া হয়েছে প্রবাসীদের জন্য।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।




