
দুপুরে আলুভর্তি একটি কাঠের নৌযান টেকনাফ স্থলবন্দর ছেড়ে যায়। সংশ্লিষ্টদের মতে, সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার পর এটিই বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে প্রথম নিত্যপণ্য রপ্তানির চালান।
এর আগে গত ১ এপ্রিল মিয়ানমারের মংডু এলাকা থেকে টেকনাফ বন্দরে ৯৬৩ পিস চম্পাফুল ও গর্জন কাঠ আমদানি করা হয়েছিল, যা সীমিত পরিসরে বাণিজ্য পুনরারম্ভের ইঙ্গিত দেয়।
স্থলবন্দরের শুল্ক বিভাগ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে চালানটি পাঠানো হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর বন্দরের কার্যক্রমে নতুন গতি ফিরে এসেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকার সহযোগিতা করলেও পূর্ণাঙ্গভাবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল করতে ব্যাংকিং জটিলতা দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
রাখাইন রাজ্যে সংঘাত এবং নাফ নদীর মিয়ানমার অংশে নৌ চলাচলে প্রতিবন্ধকতার কারণে গত বছরের এপ্রিল থেকে সীমান্ত বাণিজ্য কার্যত বন্ধ ছিল। এতে ব্যবসায়ী ও রাজস্ব খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



