
বিক্ষোভের খবর প্রচারের কারণে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত মোট ২৫ জন সাংবাদিককে আটক করেছে জান্তা সরকার। এর মধ্যে সোমবার ১০ জনকে আটক করা হয়। রোববার রক্তক্ষয়ী সহিংসতার পর সোমবার সকাল থেকে ফের রাস্তায় নামেন বিক্ষোভকারীরা। ভিডিও কনফারেন্সে আদালতের শুনানিতে সু চি হাজির হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইয়াঙ্গুনে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ব্যবহার করেছে।
রোববার জান্তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের গুলি ও সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৮ জন নিহত হন। পুলিশের ছোড়া গুলি, কাঁদানে গ্যাস, স্টান গ্রেনেড ও রাবার বুলেটে আহত হন অনেকে। তবে বিক্ষোভকারীদের দাবি, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি। হতাহতের ঘটনার পর সেনাবিরোধী আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে মিয়ানমার। ফলে ব্যাপক মাত্রায় দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে জান্তা সরকার। দাঙ্গা পুলিশের পাশাপাশি রোববার থেকে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। সশস্ত্র সেনা-পুলিশ ইয়াঙ্গুন, মান্দালয়, দাউই, মায়িক, বাগো, পোকোক্কুসহ বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদকারীদের ওপর সরাসরি গুলি চালিয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



