
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সাদেক মল্লিকের ছেলে প্রেমিক রফিকুল ইসলাম (শয়ের মল্লিক) এর বাড়িতে উপজেলার মৌশা উত্তরপাড়া এলাকার এক তরুণী বিয়ের দাবিতে বিষের বোতল হাতে নিয়ে অনশন করছে। মেয়েটিকে একা পেয়ে তার শরীরে আঘাতও করা হয়েছে। এর আগেও একই দাবিতে ছেলের বাড়িতে আরেক মেয়ে ওঠে। পরে গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে তা মীমাংসা করে দেওয়া হয়।
অনশনরত ওই মেয়ে বলেন, রফিকুল ইসলামের সাথে আমার ১৩ বছরের সম্পর্ক। আমার যখন অন্য যায়গায় বিয়ে হয়ে যায় তখনও সে আমাকে বিবাহের প্রস্তাব দেয়। সে আমার স্বামীর বাড়িতে যেয়ে কিছু কুৎসা রটায়। পরে আমাকে আমার স্বামী এবং শাশুড়ি প্রহার করে। বিবাহের কিছুদিন পরে আমি তার প্ররোচনায় স্বামীকে তালাক দেই। এরপর আমি পড়ালেখা চালিয়ে যাই। একপর্যায়ে সে আমাকে ঢাকা নিয়ে যেয়ে একটি পোশাক কারখানায় চাকুরী দেয়। আমি অন্য বাসায় থাকলেও দুজনের যাওয়া আসা ছিলো। তখন সে আমাকে কথা দেয় ১০ বছর পর আমি তোমাকে বিবাহ করব। কিন্তু ১০ বছর যেয়ে দুই বছর বাড়তি চলছে। এর একপর্যায়ে সে ব্যস্ত বলে আমার ফোন কেটে দেয়। আমার সাথে যোগাযোগ করে না। বিবাহের কথা বললে সে আমাকে বলে তুমি কি পাগলা গারদে ভর্তি হইছো। নিরুপায় হয়ে আমি বিষের বোতল হাতে নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে এসেছি। আমাকে বিবাহ না করলে আমি মা’রা যাবো।
প্রেমিক রফিকুলের সাথে যোগাযোগ করলে সে জানায়, পড়ালেখার সুবাদে ওই মেয়ের সাথে আমার একটি ভালো বন্ধু হিসেবে সম্পর্ক ছিলো। অনশন করে আমার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্র করছে।
বালিদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম ফুল মিয়া বলেন, এ ঘটনায় ছেলের বাড়িতে গিয়েছিলাম। দু’পক্ষকে নিয়ে আমি সমঝোতার চেষ্টা করছি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



