
দিল্লি পুলিশ বলছে, অভিযুক্ত ঘা’তকের নাম মোহাম্মদ আইয়ুব। তিনি বিবাহিত ও তিন সন্তানের জনক। লতা ওরফে সালমা নামে এক যৌ’নকর্মীকে খু’ন করেন তিনি। দেহ ব্যবসার কাজ ছেড়ে বিয়ে করতে বলেছিলেন আইয়ুব। লতা রাজি না হওয়ায় তাকে খু’ন করেন এই যুবক।
২০০৮ সাল থেকে লতার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল আইয়ুবের। লতার কাছেই বারবার যেতেন তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে একাধিকবার তাকে বিয়ের প্রস্তাবও দেন। কিন্তু বারবার সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়ায় দিল্লির বাওয়ানা ক্যানালের কাছে লতাকে নিয়ে খু’ন করেন অভিযুক্ত যুবক।
প্রথমে গ’লা কে’টে হ’ত্যা করেন তাকে। পর তার ম’রদেহ যেন চেনা না যায় সেজন্য ৫টি টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন তিনি।
কৈলাশনাথ কাটজু মার্গ পুলিশ স্টেশনে ক্যানাল থেকে দে’হ উদ্ধারের পর মামলা দায়ের করা হয়। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিল্লির তুর্কমান গেট থেকে ঘাতক আইয়ুবকে গত শুক্রবার গ্রেফতার করে পুলিশ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



