
অবশেষে শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে দুইটি সিন্দুকের মধ্যে একটির তালা ভাঙা হয়।
সিন্দুকে ১৯১৯ সালের গঙ্গামণি দেবী সিলভার মেডেল, ড. এন মুখার্জী মেডেল, ১৯৮২ সালের চেক বই, সংস্কৃত কলেজের পুরনো কাগজপত্র, ৭টি চিঠির খাম, তিনটি মেডেল, ১৯৫৬ সালের মুক্তকেশী দেবী ফাউন্ডেশনের কাগজপত্র পাওয়া গেছে।
সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান মণিশঙ্কর মণ্ডল বলেন, ‘দুটি সিন্দুক পাওয়া গেছে। একটা খোলা হয়েছে। সেখান থেকে বেশ কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে। বিদ্যাসাগারের আমলের কাগজপত্র পাওয়া গিয়েছে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ছিলেন।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



