
আগামী মাসে প্রকাশিতব্য সাংবাদিক ভাভদিপ কাং ও নমিতা কালার লেখা ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অব অশোক খেমকা’ বইতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বইটিতে বলা হয়েছে, খেমকার বদলি কোনো রাজ্যে হওয়ার পর সেখানকার রাজনীতিবিদরা রীতিমতো আতঙ্কে থাকতেন। এই কর্মকর্তার দ্রুত বদলির জন্য তারা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ধর্না দেওয়া শুরু করতেন। চাকরি জীবনে রাজনৈতিক নেতাদের সমঝোতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় খেমকাকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। তবে এতো ভোগান্তিও তার অদম্য স্পৃহায় চিড় ধরাতে পারেনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে খেমকা জানিয়েছেন, যেসব রাজনৈতিক নেতার হাতে তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন তাদের নাম তিনি দুই লেখকের কাছে উহ্য রেখেছেন। কারা, কেন তাকে বারবার বদলি করেছে সেই প্রশ্নের উত্তর লেখকদেরই বের খুঁজে নিতে বলেছেন তিনি।
বদলির পর খেমকার সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদে একই কর্মস্থলে থাকার মেয়াদ ১৯ মাস। আর সবচেয়ে কম সময় হচ্ছে এক সপ্তাহ। তাকে গড়ে প্রতি ছয় মাসে একবার বদলি হতে হয়েছে। এর ফলে খেমকার স্ত্রী, বাবা আর দুই সন্তানকে বারবার ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। এক জায়গায় এসে স্থির হওয়ার আগেই তাদের বাক্সপেটরা গোছাতে হয়েছে অন্যত্র যাওয়ার জন্য। এর সঙ্গে আছে বাসা খোঁজার যন্ত্রণা। দুই সন্তানের এতো স্কুল বদলাতে হয়েছে যে সেগুলোর নামও মনে নেই খেমকার।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আর সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এতোটা হয়রানির পরও খেমকা চান তরুণরা যেন সরকারি চাকরিতে যোগ দেয়।
তিনি বলেন,‘আপনি যদি পরিবর্তন আনতে চান তাহলে আপনাকে এটা ধরে রাখতে হবে। সৎ কর্মকর্তা হলে কষ্টে পড়তে হবে। তবে সব চাকরিতেই কষ্ট আছে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



