
চিকিৎসকরা অবশ্য দাবি করেছেন, কোনও ওষুধ নয়। বরং স্টেম সেল চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যেই ওই রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কারণ তিনি ক্যান্সারেও আক্রান্ত ছিলেন। সেই কারণেই এক সুস্থ ব্যক্তির শরীর থেকে স্টেম সেল নিয়ে তার শরীরে প্রতিস্থাপিত করা হয়। আর তা থেকেই ক্যান্সার তো বটেই, অ্যাডামের শরীরে এইচআইভি জীবাণু প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষমতা তৈরি হয়। ফলে এইচআইভি-র চিকিৎসার জন্য অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল থেরাপি বন্ধ হওয়ার প্রায় আড়াই বছর পরেও সুস্থ জীবন কাটাচ্ছেন ৪০ বছর বয়সী ওই যুবক।
২০১১ সালে টিমোথি ব্রাউন নামে বার্লিনের এক রোগী একই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্যে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম শীর্ষ গবেষক রবীন্দ্র কুমার গুপ্ত বলেন, এর থেকেই প্রমাণিত হয় যে এইচআইভিকে নিশ্চিতভাবে সারিয়ে তোলা সম্ভব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



