
চন্দন সানা জানান, সেফটি ট্যাংক পরিষ্কারের জন্য সুইপার মদন দাস সকাল থেকে কাজ শুরু করেন। সকাল ৯টার দিকে তার কোনো সাড়া না পাওয়ায় বাবা জগদীশ সানা সেফটি ট্যাংকের ভিতরে দেখতে থাকেন। বাবার কোনো সাড়া না পাওয়ায় তার কাকাতো ভাই তপন সানা সেফটি ট্যাঙ্কের ভেতরে ঢোকান। কিছুক্ষণ পর তার কোনো সাড়া না পরে জানা যায় ট্যাংকের ভেতর অক্সিজেন কমে যাওয়ায় নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে একে একে তিনজন মুমুর্ষ অবস্থায় অবস্থান করছেন। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসক বিধান মন্ডলের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দুপুর ১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আশাশুনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসিম বরণ চক্রবর্তী ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা শাকিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



