আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নিজের স্ত্রীকে তার প্রেমিকের কাছে তুলে দিয়েছেন এক স্বামী। শুনতে অবাক লাগলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের বিহারে।

Advertisement

নিজে দাঁড়িয়ে থেকে স্ত্রীকে রীতিমতো প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েও দিয়েছেন ওই যুবক।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মাত্র চার মাস আগে নিজের নতুন প্রেমিককে বিয়ে করেছিলেন যুবতী। তার পরেই পুরোনো প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় যুবতীর। এমন পরিস্থিতিতে সেই প্রেমিকের হাতেই স্ত্রীকে তুলে দিলেন স্বামী। নিজে দাঁড়িয়ে থেকেই বিয়ে দিলেন স্ত্রীকে।

সম্প্রতি অদ্ভুত এই ঘটনাটি ঘটেছে বিহার রাজ্যের সরন জেলার ছাপড়া পৌরসভার মির্জাপুরে।

সেখানকারই বাসিন্দা বিশ্বজিৎ ভগতের সঙ্গে চার মাস আগে বিয়ে হয় পাটনা জেলার বখতিয়ারপুরস্থ চম্পাপুরের আরতি কুমারীর। বিয়ের পর সুখে সংসার করছিলেন দুজনেই।

তবে দুই মাসের মধ্যেই দুজনের মাঝে ঢুকে পড়েন অভিরাজ নামে আরেক যুবক! আসলে, মোকামা বখতিয়ারপুরের বাসিন্দা এই অভিরাজ আরতির প্রাক্তন প্রেমিক।

অভিরাজ যখন আরতির বিয়ের কথা জানতে পারেন, তখন তিনি আরতির সঙ্গে দেখা করতে যান। কিন্তু তখন আরতি তাকে দেখা দিতে রাজি হননি। তবে বিশ্বজিতের সঙ্গে বিয়ের পর অভিরাজের সঙ্গে গোপনে কথা বলতেন আরতি।

এমনকি গত ২০ নভেম্বর প্রেমিক অভিরাজকে নিজের শ্বশুরবাড়িতেই ডেকে নেন আরতি। সেদিন রাতেই মির্জাপুর আসেন অভিরাজ। আরতিও প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। আর তা দেখে ফেলে গ্রামবাসী। তারা দুজনকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

পরে গ্রামবাসী আরতি ও অভিরাজকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্বজিতের বাড়িতে যায়। ডাকা হয় আরতি ও অভিরাজের আত্মীয়-স্বজনদেরও। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তোলপাড় হয় বিশ্বজিতের বাড়িতে।

পরে বিশ্বজিৎ নিজেই অভিরাজের সঙ্গে বিয়ে দেন স্ত্রী আরতিকে। যা এখন আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে পুরো এলাকায়, এমনকি নেট পাড়ায়ও।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.