
প্রতিদিন দোকানটিতে ১৩-১৪ হাজার টাকার মাংস বিক্রি করেন দুই ভাই। তারা সাত ভাই ও এক বোন। সঙ্গে রয়েছেন বাবা ও মা। থাকেন বিহারী পট্টিতে। বড় দুই ভাই বয়সে কিশোর হলেও সংসারের হাল তারাই ধরেছেন। দোকানটিতে কোনো ক্রেতা গেলেই যেকোনো পরিমাণের মাংস কিনতে পারেন। তারা ৫০ টাকায়ও গরুর মাংস বিক্রি করেন। কেউ চাইলে যে কোনো অংকের টাকায় কলিজা বা মুরগির মাংসও কিনতে পারেন। দুই ভাইয়ের নিজেদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা বেশি হলেও গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি রয়েছে মানবিকতা।
কথা হয় মাংস বিক্রেতা শরিফের সঙ্গে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, গরুর মাংসের দাম যেখানে ৫৭০ টাকা কেজি, সেখানে তিনি কিভাবে ৫০ টাকায় মাংস বিক্রি করেন। এর জবাবে তিনি জানান, যাদের মাংস খেতে খুব ইচ্ছে করে কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেন না-মূলত তারাই এখানে মাংস কেনেন। ১৫ বছর ধরে তাদের এই দোকানটি। তার বাবা এক সময় দোকানটি চালাতেন। তখন থেকে তিনিও এভাবে মাংস বিক্রি করতেন। গত ৫ বছর ধরে দুই ভাই দোকানটি পরিচালনা করেন। তারাও বাবার দেখানো পথে এভাবে মাংস বিক্রি করেন।
শরিফ জানান, যে কেউ যে কোনো পরিমাণে মাংস কিনতে পারেন। এতে তাদের লাভ হয় না। কারণ এসব মাংসে তারা হার দেন না। তবুও গরিব মানুষের জন্য তারা এ ব্যবস্থাটি রেখেছেন।
প্রতিদিন এক বৃদ্ধ লোক নিয়মিত গরুর মাংসের ক্রেতা। তবে তিনি ৫০ টাকার মাংস কেনেন। সে মাংসের টুকরা ছোট ছোট করে কেটে দেন শরিফ। এভাবেই কিছু ক্রেতার কাছে মাংস বিক্রি করেই নাকি তিনি তৃপ্তি পান। সূত্র : যুগান্তর।

জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



