বছরের এই সময়টায় উপমহাদেশে হরহামেশাই ঝড় হয়। প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা দেখে পৃথিবী। গতকাল রাতে হায়দরাবাদে কালবৈশাখীর মতোই তাণ্ডব চালিয়েছেন দুই দলের ব্যাটাররা। ৫২৩ রান আর ৩৮ ছক্কার ম্যাচে হয়েছে রেকর্ড বন্যা।

আইপিএল রেকর্ড

Advertisement

গতকাল বুধবার (২৭ মার্চ) রাজিব গান্ধী স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাটিং করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭৭ রান করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। জবাবে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রানে থেমেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

আইপিএলে সর্বোচ্চ দলীয় রানের আগের রেকর্ডটি ছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ২৬৩ রান করেছিল দলটি। এক দশক পর সেই রেকর্ড ভেঙে দিল হায়দরাবাদ।

শুধু ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নয়, ম্যাচেও হয়েছে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট রান হয়েছে ৫২৩। আইপিএল তো বটেই স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেও এটি সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। এর আগে গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে হয়েছিল সর্বোচ্চ ৫১৭ রান।

রেকর্ড রান তুলতে গিয়ে হায়দরাবাদে হয়েছে ছক্কা বৃষ্টি! স্বাগতিকদের ইনিংসে ছক্কা হয়েছে ১৮টি, মুম্বাই মেরেছে ২০টি। ম্যাচে মোট ছক্কা হয়েছে ৩৮টি। এটা কোনো ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কার বিশ্ব রেকর্ড।

স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ছক্কার আগের রেকর্ডটি হয়েছিল আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগে। ২০১৮ সালে বালখ লেজেন্ডস ও কাবুল জাওয়ানানের ম্যাচে হয়েছিল ৩৭টি ছক্কা। আর আইপিএলে এক ম্যাচে আগে সবচেয়ে বেশি ছক্কা ছিল ৩৩টি।

আইপিএলে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারির রেকর্ডও হয়েছে হায়দরাবাদ-মুম্বাইয়ের ম্যাচটিতে। এই ম্যাচে বাউন্ডারি হয়েছে ৬৯টি। ২০১০ সালে চেন্নাই ও রাজস্থানের ম্যাচটিতেও হয়েছিল সমান সংখ্যক বাউন্ডারি।

বিশাল আদিম ডলফিন জীবাশ্মের খোঁজ মিলল অ্যামাজনে

চার-ছক্কা থেকে আইপিএলে সবচেয়ে বেশি রান হয়েছে এই ম্যাচে, ৩৫২ রান। আগের রেকর্ডটি ছিল ৩৩৬ রানের, যা হয়েছিল চেন্নাই ও রাজস্থানের ২০১০ সালের ওই ম্যাচে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.