বহু বছর ধরে প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে আদা। এতে আছে জিঞ্জারল ও শোগাওল নামক এক ধরনের সক্রিয় উপাদান, যা শরীরে হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়তা করে। শুধু তাই নয়, আদা পাকস্থলীর পেশি শিথিল করে এবং হজম রস নিঃসরণে সহায়তা করে থাকে। ফলে খাবার দ্রুত হজম হয় এবং গ্যাস জমার প্রবণতা কমে।

আদার রস খাওয়ার উপকারিতা

Advertisement

আর আদার রস খেলে গ্যাস কমে যায়। পরিমিত পরিমাণে আদার রস রাতে ঘুমানোর আগে খাবেন, তবে অবশ্যই ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে খেতে হবে। এতে গ্যাস কমাতে সহায়ক হবে। তবে শুধু আদার রস খেলেই হবে না, খাবারের অভ্যাসেও পরিবর্তন আনতে হবে। রাতে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান এবং খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না। কারণ, হালকা হাঁটাহাঁটি করলে হজম ভালো হয়। আর এটি একটি সহজ, প্রাকৃতিক ও কার্যকর ঘরোয়া উপায়।

তবে যে কোনো সমস্যায় দীর্ঘদিন ভুগলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসই গ্যাসের সমস্যা কমানোর সবচেয়ে বড় উপায়। পেটের গ্যাস, অম্বল বা ফাঁপাভাব— এগুলো অনেকেরই প্রতিদিনের সমস্যা। বিশেষ করে রাতের খাবারের পর ভারী লাগা, পেটে অস্বস্তি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। ঘরোয়া সমাধান হিসেবে অনেকেই আদার রস খাওয়ার পরামর্শ দেন।

কে হচ্ছেন স্পিকার, আলোচনায় যাদের নাম

এক চা চামচ তাজা আদা কুচি করে রস বের করুন। এরপর সঙ্গে সামান্য কুসুম গরম পানি মিশিয়ে নিন। আপনি চাইলে অল্প মধু বা লেবুর রসও যোগ করতে পারেন। খাবারের ২০-৩০ মিনিট পর এটি খেলে বেশি উপকার পাবেন। তবে খালি পেটে অতিরিক্ত আদার রস খাওয়া উচিত নয়। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। প্রতিদিন ১ চা চামচের বেশি না খাওয়াই ভালো। আর যাদের আলসার, অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা পিত্তথলির সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত আদার রস খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গর্ভবতী নারী বা যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাদেরও সতর্ক থাকা উচিত।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.