
বৃহস্পতিবার লন্ডনে কানাডার দূতাবাসে একজোট হয়েছিলেন কানাডা, ইউক্রেন, সুইডেন, আফগানিস্তান এবং যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিরা। নিহত যাত্রীদের প্রতি শোক প্রস্তাব জানিয়ে তারা একটি বৈঠক করেন। পরে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে তারা জানান, নিহত যাত্রীদের পরিবার সদস্যদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তেহরানকে। একই সঙ্গে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের সুযোগ করে দিতে হবে। যে তদন্তে অংশ নেবেন এই পাঁচটি দেশের প্রতিনিধিরা। তাদের বক্তব্য, শেষ পর্যন্ত বিমানে হামলা চালানোর বিষয়টি ইরান স্বীকার করলেও এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর তারা দিচ্ছে না। যতদিন পর্যন্ত সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে না, ততদিন তেহরানের উপর চাপ বজায় রাখা হবে।
ইরাকে ইরানের অন্যতম জেনারেল কাসিম সোলেইমানিকে হত্যা করেছিল আমেরিকা। প্রত্যুত্তরে ইরাকে মার্কিন সৈন্য ঘাঁটিতে মিসাইল হামলা করে ইরান। তখনই তেহরান থেকে ওড়া একটি ইউক্রেনের বিমানও মিসাইলে ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে অবশ্য ইরান মিসাইলের কথা স্বীকার করেনি। জানিয়েছিল, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই বিমানটি ভেঙে পড়েছে। কিন্তু পরে কানাডা, অ্যামেরিকা এবং যুক্তরাজ্যের চাপে তেহরান স্বীকার করে নেয় যে, মিসাইল লেগেই বিমানটি ধ্বংস হয়েছে। তার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ইরানের উপর চাপ তৈরি করছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



