Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর: গাজীপুরের কালীগঞ্জে সীমা বেগম (৪০) নামের সৌদি আরব প্রবাসী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারী) দুপুরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রহস্যজনক এই মৃত্যুকে কেউ কেউ আত্মহত্যা বললেও কেউও আবার বলছেন হত্যা। তবে পুলিশ বলছেন এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা জানানো যাবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর।

এর আগে সকালে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের জামালপুর (গোল্লারটেক) গ্রাম থেকে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত ওই প্রবাসী নারীর মরদেহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগীতায় উদ্ধার করা হয়।

নিহত সীমার বাবার নাম আবুল কাশেম। স্বামীর বাড়ী মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরে। স্বামীর সাথে বছর চারেক আগে তার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। স্বামী পরিত্যাক্তা হয়ে জামালপুর (গোল্লারটেক) গ্রামে নানা মৃত রহম আলী সরকারের বাড়ীতে এক ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বাড়ীর আশেপাশে হাটাহাটি করেছেন। কিন্তু ৭টার দিকেই এই ঘটনা ঘটে। বুধবার (১৫ জানুয়ারী) রাতে মেয়ের সাথে কোন বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে বলেও জানায় সূত্র।

ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ফারুক মাস্টার জানান, সকালে তাদের বাড়ির কাছ দিয়ে মর্নিং ওয়ার্ক করে যাওয়ার সময় কান্নাকাটির শব্দ শুনে বাড়ি গিয়ে দেখি ঘরের আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে বাধা সীমা বেগমের মরদেহ ঝুলছে। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় লাশ নিচে নামিয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে পাঠানো হয়। কিন্তু তার আগেই মৃত্যু হয় বলে জানান হাসপাতালের চিকিৎসক।

তিনি আরো জানান, স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ির পর সীমা ৩ বছর যাবৎ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। ৫ মাসের ছুটিতে এসেছিলেন। ইতিমধ্যে ছুটির ৪ মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে। এক মাস পর পূনরায় সৌদি আরব যাওয়ার কথা।

কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আর্শাদ মিয়া জানান, প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ গাজীপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে বুঝা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google