
এদিকে ফেরিওয়ালারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে আরো কম দামে ক্রয় করে দুই-তিন টাকা লাভে আড়তে বিক্রি করছেন। উপজেলার বাজুবাঘা নতুনপাড়া গ্রামের আম ব্যবসায়ী দেলশাদ হোসেন বলেন, ‘আমার বাগানের প্রতিটি গাছে এখনো অনেক আম আছে। বাগানের কিছু আম বিক্রি করা হয়েছে, আরো বেশ কিছু আম রয়েছে। প্রতিদিন সকালে পাকা আম গাছ থেকে নামিয়ে আড়তে বিক্রি করি।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



