
২০১৮ সালে ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমান দুর্ঘটনায় আহত মেহেদী হাসান মাসুম এভাবেই স্মৃতিচারণ করছিলেন।
ওই বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে আসা শ্রীপুরের মেহেদী হাসান মাসুম ও তার স্ত্রী সাইদা কামরুন্নাহার স্বর্ণাকে প্রতিমুহূর্তে তাড়া করে বেড়ায় দুঃসহ সেই স্মৃতি। ঘুমের ঘোরে এখনও মাঝে মধ্যেই আঁতকে ওঠেন তারা।
মাসুম বলেন, ভ্রমণের জন্য একসঙ্গে ফুফাতো ভাই ফারুক হোসেন প্রিয়ক, তার স্ত্রী আলমুন নাহার এ্যানী, তাদের মেয়ে প্রিয়ংময়ী তামাররা ও আমার স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণাকে নিয়ে বের হয়েছিলেন। ভ্রমণের সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও এমন একটি দুর্ঘটনা জীবনের ছন্দের পতন ঘটাবে তা ভাবতেও পারিনি। যখন একা থাকি তখনই ওই দুর্ঘটনার স্মৃতি কষ্ট দেয়। আজকে আমিও ওই দুর্ঘটনায় মারা গেলে দুই বছর হতো। ভাই আগুনে পুড়ে মারা যাচ্ছে, কাছের মানুষগুলো আগুনে পুড়ছে, আমি কিছুই করতে পারছি না। দুনিয়ার সবচাইতে কঠিন দৃশ্য আমি দেখেছি। মরার আগে মৃত্যুবরণ করার মতো অবস্থায় আছি।
তিনি আরও বলেন, চোখের সামনেই ভাই-ভাতিজির মৃত্যু দেখেছি। এমন মৃত্যু আসলে মানা যায় না। সৃষ্টিকর্তা এখন নতুন জীবন দিলেও আমরা স্বাভাবিক হতে পারিনি।
এছাড়া তিনিই প্রিয়কের মায়ের যাবতীয় দেখভাল করছেন জানিয়ে বলেন, প্রিয়ক আমার ফুফাতো ভাই। প্রিয়কের অবর্তমানে আমিই তার মায়ের দেখ ভাল করছি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



