
রোববার দুপুর আড়াইটার ট্রেনের দরজায় বসে আসছিলেন ওই শিক্ষার্থী। এ সময় ট্রেনটি স্টেশনে পৌঁছালে প্ল্যাটফর্মের নিচে পড়ে থাকা সরঞ্জামের সঙ্গে কাটা পড়ে ওই শিক্ষার্থীর পায়ের সব আঙুল। এ ঘটনার পর সহপাঠীরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে তাকে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি ২৪ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর চিকিৎসক তাকে আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন।
জানা যায়, দুপুর ১২টার দিকে বটতলী থেকে নাজিরহাট রুটে একটি তেলবাহী ট্রেন যাতায়াতের সময় ষোলশহর স্টেশনের কাছাকাছি রেললাইন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। বিকল্প হিসেবে ৩নং লাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেন চলাচল করে।
৩নং লাইনের পাশেই ষোলশহর স্টেশনের নতুন প্ল্যাটফর্মের কাজ চলায় বেশকিছু সরঞ্জাম প্ল্যাটফর্মের নিচে রাখা ছিল। যার ফলে ট্রেনের দরজায় বসা একাধিক শিক্ষার্থীর পায়ে আঘাত লাগে। তবে দুর্ঘটনাক্রমে সেখানে বসে থাকাবস্থায় শারমিন আক্তারের ডান পায়ের সব আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ষোলশহর স্টেশন মাস্টার তন্ময় চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ট্রেনের দরজায় বসার কারণে এমনটি ঘটেছে। তাছাড়া ৩নং লাইনে চলাচলের বিকল্প ছিল না। রাতের মধ্যে ২নং রুটের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটা সমাধান করার চেষ্টা করছি আমরা। আশাকরি আগামীকাল থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে চবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর প্রণব মিত্র চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি জানার পর ডাক্তারের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাকে দেখার জন্য আমরা হাসপাতালেও গেছি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



