
রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে রাস্তা তলিয়ে গেছে, পানি আটকে আছে আবার কোথাও ড্রেনের মুখে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে আছে। নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে সতেরটি ওয়ার্ডের বেশির ভাগ এলাকায় মারাত্মক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
নগরীর কামারপাড়া, মুলাটোল, বাবুখাঁ, হাবিবনগর, ধাপ হাজীপাড়া, আমাশু, কুকরুল, জুম্মাপাড়া, সিটি বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার পাড়া-মহল্লাতে পানি জমে অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে আছেন। শহরের সড়কগুলোতে ব্যাহত হচ্ছে যানবাহন চলাচল।
এদিকে শ্যামা সুন্দরী খালে পানি ভরাট হয়ে গেছে। কিছু কিছু জায়গায় পলিথিন, ময়লা-আবর্জনার স্তুপ আর কচুরিপানার কারণে শ্যামা সুন্দরীতে পানি প্রবাহ বিঘ্ন ঘটছে। বিভিন্ন এলাকায় নিজ উদ্যোগে ড্রেন পরিষ্কার করাসহ জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে দেখা গেছে স্থানীয়দের। সিটি করপোরেশন থেকেও শহরের ড্রেনের মুখগুলো পরিষ্কার করতে দেখা যায়।
এদিকে গত ১২ ঘণ্টায় ১৮৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। একই অবস্থা শহরতলীর নিচু এলাকাগুলোতেও। নগরীর ধাপ হাজীপাড়া এলাকায় মামুন নামে এক যুবক জানান, রংপুর সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার আট বছর হয়েছে। অথচ আজও ওই এলাকাতে ড্রেন তৈরি হয় নি।
এ ব্যাপারে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু বলেন, অনেক এলাকাতে ড্রেনের পানি শ্যামা সুন্দরী খালে যাচ্ছে না। খালের মুখের সঙ্গে ড্রেনের সংযোগ থাকার পরও এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কারণ শ্যামা সুন্দরী খাল এখন পানিতে ভরা। তবে পানি কমে আসলে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। নগরীতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় বছর পর এমন দুর্ভোগ থাকবে না।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



