
গত তিন দিন চিড়া-মুড়ি খেয়েছেন সামিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু অবুঝ ৯ বছরের মেয়ে আলবিনা আর ৭ বছরের ছেলে সাইদুল আর মানতে চাইছে না। ক্ষুধার জ্বালায় তারা ভাত চায়। শেষ পর্যন্ত ফুফু মরিয়ম বেওয়ার বাড়ি থেকে ৫ কেজি চাল ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ভাত রেঁধে আর পটল ভাজি করে স্বামী ও দু’সন্তানসহ নিজে খেয়েছেন সামিনা বেগম।
তার স্বামী আল আমিন জানান, বাড়িভিটা বলতে ৯ শতাংশ জমি ছিল। ধরলার ভাঙনে সেই ভিটাটুকু বিলীন হয়ে গেছে। এখন নদী পাড়ে অন্যের জমিতে ঘর তুলে আছেন। দিনমজুরী করে সংসার চালান। সেই কাজও প্রায় ৫ মাস ধরে বন্ধ। এখন মাঝে মাঝে মাছ ধরেন। পাশাপাশি মাসে হাজারে ১০০ টাকা সুদে ২০ হাজার টাকা ধার করেছেন ৩ মাস আগে। কাজ করে শোধ করবেন বলে।
তিনি বলেন, ঋণের সেই টাকা এতোদিন ভেঙে খেয়েছি। সরকারি কোন ধরণের সহায়তা কপালে জোটেনি।
ওই উঁচু ভিটায় আল আমিনের মতো কাশেম আলীও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ঠাঁই নিয়েছেন। তারও কমবেশি একই রকম অবস্থা। শুধু তাদেরই নয়, জেলার ৯ উপজেলার ৫৬ ইউনিয়নের ৪৭৫ গ্রামের প্রায় ২ লাখ বানভাসি মানুষকে এখন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



