তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক, এরপর গর্ভধারণ। প্রেমিকের চাপে গর্ভপাত করতে বাধ্য হয় কিশোরী প্রেমিকা। পরে বিয়ে করতে গড়িমসি করায় সেই ক্ষোভে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সাঈদ আব্দুল্লাহ সিয়াম (২২) নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার প্রেমিকার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী নাঈমা জাহানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত সাঈদ আব্দুল্লাহ সিয়াম ওই এলাকার হাজী এনামুল হকের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃত নাঈমা ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ঘোষগ্রামের রবিউল মৃধার মেয়ে।
চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় সিয়াম ও নাঈমার। পরে উভয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন পর প্রেমিকা নাঈমা গর্ভবতী হয়ে যায়। প্রেমিক সিয়াম বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জোর করে নাঈমার গর্ভপাত করান। কিন্তু এরপর থেকে বিয়ের কথা বললেই সিয়াম বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। তাতে মনে মনে ক্ষুব্ধ হতে থাকে নাঈমা। রোববার রাতে বরাবরের মতো গোপনে সিয়ামের বাড়িতে যায় নাঈমা।
এসময় দুইজন রাত্রিযাপন করে। ভোর ৫টার দিকে বিয়ে নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ছুরি দিয়ে নাঈমা সিয়ামের পেটে আঘাত করে। তাতে মারাত্মক জখম হন সিয়াম। স্বজনরা বিষয়টি টের পেয়ে দরজা ভেঙে প্রবেশ করে সিয়ামকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ওসি আরিফ হোছাইন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নাঈমাকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। মামলা হলে নাঈমাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



