
তবে দাওয়াতের উদ্দেশ্যে নয়, বাড়ির কিশোরী মেয়েটির বাল্যবিয়ে রোধ করতে তিনি বিয়ে বাড়িতে আসেন।
রবিবার বিকেলে উপজেলার ঈশ্বরপুর গ্রামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শিবলী সাদিক এবং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মিজানুল হকের হস্তক্ষেপে এ বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়।
বাহাদুরসাদী ৭ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আনিছুর রহমান দুলাল জানান, ঈশ্বরপুর গ্রামের এক ব্যক্তির নাবালিকা (১৩) মেয়ের বিয়ের দিন ছিল ওই দিন। মেয়েটি স্থানীয় খলাপাড়া দাখিল মাদ্রসায় ৭ম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছিল।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনও এবং ওসির নির্দেশে বিয়ে বাড়িতে কালীগঞ্জ থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আজাদ পারভেজ হাজির হন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বর-কনের অভিভাবক পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করা হয় এবং পুলিশ বিয়ে বন্ধ করে দেয়। প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার শর্তে দুই পক্ষের অভিভাবকদের মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



