
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবদুল্লাহ ওই স্কুলের এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পরে। ওই মেয়েকে বিয়ের জন্য বাবা ও মাকে চাপ প্রয়োগ করে আবদুল্লাহ। কিন্তু বাবা ও মা ওই মেয়েকে বিয়ে করাতে রাজি হয়নি। এতে মা ও বাবার সঙ্গে অভিমান করে আবদুল্লাহ রোববার বিষপান করে।
স্বজনরা দ্রুত উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। ওই হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক স্কুলছাত্রের মৃত্যু ঘোষণা করেন। আমতলী থানা পুলিশ স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেছে।
স্কুলছাত্রের নানা আবদুর রাজ্জাক কেরানী বলেন, বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই মেয়েকে বিয়ে করতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যা করেছে।
আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, হাসপাতালে আনার পূর্বেই আবদুল্লাহর মৃত্যু হয়েছে।
আমতলী থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তালতলী থানার তাই তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



