
পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে পাথরডুবী ইউনিয়নের তালুক মশালডাঙা গ্রামের উমর আলীর মেয়ে সোমা খাতুনের (২০) সঙ্গে মঈনুদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের ১ বছর পর সিঙ্গাপুর চলে যায় মঈনুদ্দিন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে পরকীয়ায় জড়ায় সোমা। পরিবারের লোকজন বিভিন্নভাবে বুঝিয়েও সোমাকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে পারেনি। পরে গত ৪ ডিসেম্বর দেশে ফিরে আসেন মঈনুদ্দিন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়।
শনিবার রাতে দুজন মিলে সোমার বড় বোনের বাড়িতে (বাগভান্ডার গ্রামে) দাওয়াত খেতে যায়। বোনের বাড়িতে গিয়েও স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে সোমা। ঝগড়ার একপর্যায়ে দুজনের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে নতুন ব্লেড দিয়ে তার স্বামীর গলা কেটে দেয় সোমা। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় পরিবারের লোকজন মঈনুদ্দিনকে উদ্ধার করে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



