
রতনদী তালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিব মো. বায়েজিদ ইসলাম জানান, রবিবার এবতেদায় সমাপনী পরীক্ষায় গণিত বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের মামুন তক্তি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার সুপার মো. জসিম উদ্দিন তার মাদ্রাসা থেকে আট ভুয়া শিক্ষার্থী দিয়ে পরীক্ষা দেয়াচ্ছেন। এসময় পরীক্ষার্থীদের কাগজ পত্র যাচাই করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্যতা প্রমাণিত হয়।
তিনি আরো জানান, ওই মাদ্রাসার সুপার রতনদী তালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির রাফিন ইসলাম আসিব, মাকসুদা, সপ্তম শ্রেণির মারুফ, কাকলী, মানিক চাঁদ মাদ্রাসার মো. সাগর, রতনদী তালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির মেরাজুল হক ইমন, ইলমা ও মো. জাহিদকে দিয়ে ভুয়া কাগজ পত্র তৈরি করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করান। এসব শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করছে। জিজ্ঞাসাবাদের পর উপলজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম আটক শিক্ষার্থীদেরকে বহিষ্কার করেন। এ ঘটনায় মামুন তক্তি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে গলাচিপা উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ট্রেনিং ইন্সটেক্টর মো. শহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ ইসলাম ও উপজেলা তথ্য কর্মকর্তা ইসমত আরা। উল্লিখিত তদন্ত কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আটক আট পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অভিযুক্ত মামুন তক্তি স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার সুপার জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর সুপারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



