
অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের সমাবেশ ও র্যালির সময়টুকুতে অন্য কেউ এসে চলমান ইস্যুর বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য-ম্যুরাল ও মন্দির ভাঙচুর করে নাশকতার তৈরি করে ইসলামী আন্দোলনের ওপর দায় চাপাতে না পারে সে জন্যই এই সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছিলো।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক কে এম শরীয়তউল্লাহ জানান, চরমোনাই পীরের নির্দেশে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের সমন্বয়ে তিন শ জনের অধিক স্বেচ্ছাসেবক প্রেস ক্লাবের সমানের বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ম্যুরাল ও বিভিন্ন মন্দির পাহারা দিয়েছে। সমাবেশ শেষে পীরের অনুসারীর যখন নগরী ছাড়ার পরে সেচ্ছাসেবকরা ওই সকল প্রতিষ্ঠান এলাকা ছেড়ে এসেছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



