
বাঘার হাটের সবজি ব্যবসায়ী মানিক মিয়া জানান, যে অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বেশি হয়, সেইসব অঞ্চলে মানুষ সেই ফসলের মৌজুদ করে থাকেন। এ দিক থেকে উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চল বাউসা এবং আড়ানী ইউনিয়নের অনেক ব্যক্তি তাদের ঘরে অসংখ্য পেঁয়াজ মৌজুদ করে রেখেছেন। তার মতে, প্রশাসনের লোকজন যদি ওইসব বাড়িতে অভিযান দিয়ে এই মুহূর্তে বাজারে পেঁয়াজ ছাড়ার ব্যবস্থা করেন তাহলে এ অঞ্চলে পেঁয়াজের বাজার অনেকটা স্থিতিশীল হয়ে যাবে।
এদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্রের ভিত্তিতে শনিবার জাতীয় দৈনিক এক পত্রিকায় ‘বাঘায় ব্যবসায়ীদের বাড়িতে পেঁয়াজের গুদাম’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হলে সেটি চোখে পড়ে চারঘাট-বাঘা সার্কেলের সিনিয়র এএসপি নুরে আলমের চোখে। তিনি বাঘা থানা পুলিশকে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিতে বলেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শফিউল্লা সুলতান বলেন, বাঘায় উৎপাদিত পেঁয়াজ স্থানীয় চাহিদা পুরনের পাশাপাশি দেশের অন্যত্র রপ্তানি হয়। অল্প কিছু দিনের মধ্যে আমাদের দেশে নতুন পেঁয়াজ উঠবে। সেই সময় পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



