1

Advertisement

জুমবাংলা ডেস্ক : আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গৃহবধূ গণধ’র্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে রোববার সন্ধ্যায় ৮জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

মামলার আসামিরা হচ্ছে, সদর উপজেলার পশ্চিম মদনপুর গ্রামের মৃ’ত ফুল মিয়া ওরফে ফুলু মেম্বারের ছেলে সাব্বির হোসেন, আবুল মিয়ার ছেলে আকাশ মিয়া, মঞ্জিল মিয়ার ছেলে জিপন মিয়া, মিরাজ আলীর ছেলে ফরিদ মিয়া, আবদুস সালামের ছেলে সালমান, মৃ’ত আনহর আলীর ছেলে আসাদুল হক, জামাল মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম ও গৃহবধূর প্রেমিক রফিকুল ইসলাম। অভিযোগে জানা গেছে, ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কান্দার গ্রামের রফিকুল ইসলাম ওই নারীকে তার স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে গত বৃহস্পতিবার নেত্রকোনা সদর উপজেলার পশ্চিম মদনপুর গ্রামের জিলন আক্তারের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।

গভীর রাতে ওই গ্রামের সাব্বির হোসেন, আকাশ মিয়া, জিপন মিয়াসহ ৮-১০ জন যুবক ওই বাড়িতে হানা দিয়ে গৃহবধূকে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যায়। যুবকরা গৃহবধূকে গ্রামের একটি জঙ্গলে নিয়ে পালাক্রমে রাতভর ধ’র্ষণ করে। স্বজনরা শুক্রবার সকালে তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় ওই নারী নিজে বাদী হয়ে শনিবার সন্ধ্যায় সালমান, আকাশ, রফিকুল ইসলাম ও সাব্বির হোসেন নেত্রকোনা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ সালমান, আকাশ, রফিকুল ইসলাম ও সাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। রোববার তাদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.