একসময় তারা ছিলেন নি ষিদ্ধপল্লীর রাণী। দাঁপিয়ে বেড়াতেন এই অন্ধকার জগত। এখন তারা পড়ে থাকেন ঘরের কোণে। ফরমায়েশ করে কেউ কেউ জীবিকা নির্বাহ করেন। কেউ আবার বাইরে ভিক্ষা করে খরচ যোগান। বলছি যৌ/ন পল্লীর বৃদ্ধাদের কথা। জীবনযুদ্ধে অসহায় এসব বৃদ্ধ যৌ/নকর্মীর সঙ্গে ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নিতে ছুটে গিয়েছিলেন একদল যুবক।
শুক্রবার (২১ এপ্রিল) বিকালে নগরীর রমেশ সেন রোডের যৌ/নপল্লীতে গিয়ে তাদের নতুন শাড়ি উপহারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন ঈদের আনন্দ।

কবি শামীম আশরাফ বলেন, একটা সুসময় শেষে সব মানুষেরই আসে দুঃসময়। সেখানে সমাজের বিত্তবানরাও দুঃখে নিপতিত হয়। সমাজের নানা জায়গায় আমরা অবহেলিত মানুষকে দেখতে পাই। কিন্তু যৌ/নপল্লীর এসব দেহজীবী মানুষেরা আমাদের চোখে আসে না। যৌ’বনা থেকে বৃদ্ধ হলে মানুষের যে হাহাকার জমা হয়, তার অনেক কিছু উনারা প্রকাশ করতে পারেন না। তাই চেয়েছি খুশির এই দিনটিতে তারা গায়ে জড়াক নতুন শাড়ি। তাদের মাঝেও ছড়িয়ে পড়ুক ঈদ আনন্দ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



